Thursday, July 9, 2020

নীলাম্বরী



মনে হয় ওইতো , সেদিন তুমি
নীলিমার সাজে সেজেছিলে …

নীলের সাথে কালো, ভালোই ম্যাচিং হয় জানতাম
যেহেতু টুকটাক আঁকিবুঁকির কাজ করতাম।
কিন্তু বাস্তবের নিলিমা যে এতোটা সুন্দর
ভাবতেও পারিনি কখনো।
প্রস্ফুটিত হয়েছিল নীলপদ্ম,
যা ছিল এই বুকে জমানো।

আচ্ছা, জানতে কি তুমি
আমি বড়ই নীলপ্রেমী !
আগেও তো দেখেছি তোমায়,
তোমার স্বরূপ মহিমায়।
এমনটাতো হয়নি কখনো !

ললাটে ছোট্ট টিপ,
মন ভোলানো এক চিলতে লাজুক হাসি,
মসৃণ কেশগুচ্ছের আশা-নিরাশার দোলাচল…
কিংবা, কাজল কালো চোখের ওই নিষ্পাপ চাহনি।

আজ বহুদিন হয়ে গেল,
দেখিনা আপন নীলিমার নীল
লাজুক ওই হাসি, মায়াবীনি ওই চাহনি
কিংবা ললাটের ওই বিষন্নতার ছাপ।
সবই আজ খুঁজে ফিরি,
আপন স্মৃতির মণিকোঠায়।

নীলিমা, কখনো কি আমায় বন্ধু ভেবেছিলে?
নাকি ভেবেছিলে বন্ধুর চেয়ে সামান্য একটু বেশি ?
হুম,
দেখা না’হয় নাই বা দিলে,
ভালবেসে নীলাম্বরী নাহয় সাজো আরো একটি বার,
যাতে চমকে যাই পিলে।

ভালবাসি ভালবাসি,
হয়নি বলা কখনো,
নয় অভিনয়, নয় ছলনা,
নয়ত কিছুই সাজানো।
ভাল থেকো ভাল রেখো,
ভালবাসি এখনো।

(২রা ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
১৪ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং)

হঠাৎ দেখা নীলিমা

 

নদীর কাছে সুধাই আমি ওহে,

আছি যে আজো আমি নীলিমার মোহে।

দেবে না কি সে সাড়া, চাইবে নাকো ফিরে

হাজারো স্বপ্ন যে বুনি রোজ তাকে ঘিরে।

নদী কহে, সবুর করো হে বাপু …

এত জলদি হয়ে গেলে কাবু?

 

দিন যায়…মাস যায়…

আমি আছি নীলিমার অপেক্ষায়।

 

বহুদিন … পর, আজ হঠাৎ পেলুম তার দেখা,

কেটেছিল এই ক-টা দিন বড্ড একা একা।

সেই লাজুক হাসি, ললাটে ওই বিষন্নতার ছাপ…

বললে আমায়, খালি হাতে মোর ছোট্ট এই চিঠি

জানিনা কতখানি রাঙাবে আপনার মনের দিঠি।

 

চিঠিখানা নিতে গিয়ে হঠাৎ পেলুম বুঝি নীলিমার ছোয়া,

হয়তোবা এ ছিল কেবলই ভ্রম, কিংবা কোন মায়া। 

মুর্খ কবি আমি, বুঝিনা এসবের কিছু…

তবে সেই কবে থেকে ছুটছি তোমার পিছু পিছু।

 

সম্পর্ক কি আদৌ হয়েছে রঙিন?

দুরত্বটুকুই বা হয়েছে কি বিলীন।

হৃদয়ের গভীর কালো কোটরে,

রেখে দিলেম ছোট্ট একটি প্রাণভোমরা,

আমি থেকে হতে পারলুম না আমরা।

 

এ আমার নীলাম্বরী,

এ আমার একপেশে ভালোবাসা।


(৪ঠা জুলাই, ২০২০) 

নীলাম্বরী

মনে হয় ওইতো , সেদিন তুমি নীলিমার সাজে সেজেছিলে … নীলের সাথে কালো, ভালোই ম্যাচিং হয় জানতাম যেহেতু টুকটাক আঁকিবুঁকির কাজ করতাম। ...